হ্যালো বন্ধুরা কেমন আছেন আশা করি সবাই ভালো আছেন, আমি ঈশ্বরের কৃপায় ভালো আছি।
আজ আপনাদের সামনে একটি পরিচিত ফুল নিয়ে আলোচনা করবো এই ফুল গাছটির সাথে কম বেশি সবাই পরিচিত আর তা হলো মোরগ ফুল।
এশিয়ার নিরক্ষয় অঞ্চল এবং আফ্রিকা আদি নিবাস হলেও বাংলাদেশে মোরগ ফুল একটি জনপ্রিয় ফুল। এ ফুলের ইরেজি নাম- Amarantaceae, উদ্ভিদ তাত্বিক নাম- Celosia argentea।
মোরগের মাথার ঝুটির আকৃতির কারনে এর নাম মোরগ ফুল। তবে অঞ্চল ভেদে কোথাও কোথাও এ ফুলকে মোরগ ঝুটি, লালমুর্গা, ঝুটি ফুলে নামেও ডাকা হয়।
বর্ষজীবি এ ফুল গাছ চারা থেকে গাছে ফুল ধরার পূর্ব পর্যন্ত ডাটা সবজি আকৃতির মতো দেখতে এবং পাতা বেশ লম্বা, শিরা মধ্য শিরা স্পষ্ট, অগ্রভাগ সূচালো হয়।
মোরগ ফুলের ভেষজ গুনাগুন রয়েছে। অতিরিক্ত প্রস্র্রাব উপশমে এবং আমাশয় রোগের চিকিৎসায় মোরগফুল ব্যবহার হয়ে থাকে।
গাছ উচ্চতায় ৪-৭ ফুট পর্যন্ত উঁচু হয়, গাছের কান্ড হতে শাখা-প্রশাখা বের হয়, শাখা-প্রশাখা ও কান্ড নরম হয়। নানান প্রজাতির মোরগ ফুল রয়েছে, প্রজাতি ভেদে গাছের পাতা, শাখা-প্রশাখা, কান্ড ও ফুলের রং ভিন্ন ভিন্ন হয় এবং লাল, কমলা, হলুদ, সাদা, সোনালী ও মিশ্ররঙের মোরগ ফুল দেখতে পাওয়া যায়।
ফুল গন্ধহীন, উজ্জল রঙের মোলায়েম পালকের মতো। গাছ থেকে ফুল সংগ্রহ করে রেখে দেওয়ার পর ফুল শুকিয়ে গেলেও এর উজ্জলতা নষ্ট হয়না।
ফুল শেষে পরিপক্ক ফুলের মাঝে বীজ হয়, বীজ ডাটা বীজের মতো। পরবর্তী মৌসুমে বংশ বিস্তারের জন্য বীজ সংরক্ষণ করে বীজের মাধ্যমে বংশ বিস্তার করা যায়।
মোরগফুল মূলত হেমমত্ম মৌসুমের ফুল। মে মাসে বীজবপন করার পর নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে গাছে ফুল ধরে এবং ফুল ফুটমত্ম গাছ মার্চ মাস সময় পর্যন্ত টিকে থাকে, তার পর ফুলগাছ আপনা আপনি মারা যায়।
রৌদ্রজ্জল পরিবেশ, শুষ্কস্থান ও প্রায় সব ধরনের মাটিতে এ ফুল গাছ জন্মে হয়। বাসা-বাড়ী, অফিস, আদালত, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, পার্ক ও অন্যান্য স্থানে এ ফুল গাছ লালন পালন চোখ পড়ে।
মোরগ ফুল একসময় মূলত জঙ্গলে বা ঝাড় ঝাপটায় জম্ময় তো এখন জনপ্রিয়তা হওয়ার কারণে মানুষ এর চাষা করে।
সারা গাছে ফুল ফুটে তবে কান্ডের ঠিক অগ্রভাগে মোরগ ঝুটির আকৃতির বড় ফুলটি ফুটে, শাখা-প্রশাখার ফুলগুলি আকারে ছোট আকৃতির হয়।
তথ্যসূত্রঃ ইন্টারনেট
আজ আপনাদের সামনে একটি পরিচিত ফুল নিয়ে আলোচনা করবো এই ফুল গাছটির সাথে কম বেশি সবাই পরিচিত আর তা হলো মোরগ ফুল।
![]() |
| একটি মোরগ ফুল |
এশিয়ার নিরক্ষয় অঞ্চল এবং আফ্রিকা আদি নিবাস হলেও বাংলাদেশে মোরগ ফুল একটি জনপ্রিয় ফুল। এ ফুলের ইরেজি নাম- Amarantaceae, উদ্ভিদ তাত্বিক নাম- Celosia argentea।
মোরগের মাথার ঝুটির আকৃতির কারনে এর নাম মোরগ ফুল। তবে অঞ্চল ভেদে কোথাও কোথাও এ ফুলকে মোরগ ঝুটি, লালমুর্গা, ঝুটি ফুলে নামেও ডাকা হয়।
বর্ষজীবি এ ফুল গাছ চারা থেকে গাছে ফুল ধরার পূর্ব পর্যন্ত ডাটা সবজি আকৃতির মতো দেখতে এবং পাতা বেশ লম্বা, শিরা মধ্য শিরা স্পষ্ট, অগ্রভাগ সূচালো হয়।
মোরগ ফুলের ভেষজ গুনাগুন রয়েছে। অতিরিক্ত প্রস্র্রাব উপশমে এবং আমাশয় রোগের চিকিৎসায় মোরগফুল ব্যবহার হয়ে থাকে।
![]() |
| একটি মোরগ ফুল |
গাছ উচ্চতায় ৪-৭ ফুট পর্যন্ত উঁচু হয়, গাছের কান্ড হতে শাখা-প্রশাখা বের হয়, শাখা-প্রশাখা ও কান্ড নরম হয়। নানান প্রজাতির মোরগ ফুল রয়েছে, প্রজাতি ভেদে গাছের পাতা, শাখা-প্রশাখা, কান্ড ও ফুলের রং ভিন্ন ভিন্ন হয় এবং লাল, কমলা, হলুদ, সাদা, সোনালী ও মিশ্ররঙের মোরগ ফুল দেখতে পাওয়া যায়।
ফুল গন্ধহীন, উজ্জল রঙের মোলায়েম পালকের মতো। গাছ থেকে ফুল সংগ্রহ করে রেখে দেওয়ার পর ফুল শুকিয়ে গেলেও এর উজ্জলতা নষ্ট হয়না।
ফুল শেষে পরিপক্ক ফুলের মাঝে বীজ হয়, বীজ ডাটা বীজের মতো। পরবর্তী মৌসুমে বংশ বিস্তারের জন্য বীজ সংরক্ষণ করে বীজের মাধ্যমে বংশ বিস্তার করা যায়।
![]() |
| একটি মোরগ ফুলের বীজ |
মোরগফুল মূলত হেমমত্ম মৌসুমের ফুল। মে মাসে বীজবপন করার পর নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে গাছে ফুল ধরে এবং ফুল ফুটমত্ম গাছ মার্চ মাস সময় পর্যন্ত টিকে থাকে, তার পর ফুলগাছ আপনা আপনি মারা যায়।
রৌদ্রজ্জল পরিবেশ, শুষ্কস্থান ও প্রায় সব ধরনের মাটিতে এ ফুল গাছ জন্মে হয়। বাসা-বাড়ী, অফিস, আদালত, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, পার্ক ও অন্যান্য স্থানে এ ফুল গাছ লালন পালন চোখ পড়ে।
মোরগ ফুল একসময় মূলত জঙ্গলে বা ঝাড় ঝাপটায় জম্ময় তো এখন জনপ্রিয়তা হওয়ার কারণে মানুষ এর চাষা করে।
![]() |
| একটি মোরগ ফুলের হলুদ কালার |
সারা গাছে ফুল ফুটে তবে কান্ডের ঠিক অগ্রভাগে মোরগ ঝুটির আকৃতির বড় ফুলটি ফুটে, শাখা-প্রশাখার ফুলগুলি আকারে ছোট আকৃতির হয়।
তথ্যসূত্রঃ ইন্টারনেট




good post
ReplyDeletenice post.
ReplyDeleteইংরেজি গ্রামার শিখুন বাংলা ভাষায় অতি সহজে
Post a Comment